আমরা শুধু একটি বেটিং সাইট নই। go 99 হলো বাংলাদেশের লক্ষো মানুষের বিশ্বাসের জায়গা — যেখানে খেলাধুলার উত্তেজনা, ন্যায্য অডস আর দ্রুত পেমেন্ট একসাথে পাওয়া যায়।
go 99 এর শুরুটা হয়েছিল একটা সহজ প্রশ্ন থেকে — বাংলাদেশের মানুষ কেন অনলাইন বেটিংয়ে ঠকবেন? কেন টাকা জিতে তুলতে গিয়ে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হবে? কেন সাপোর্ট পাবেন ইংরেজিতে, যখন মাতৃভাষায় কথা বলা আরও স্বাভাবিক?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে গিয়েই go 99 জন্ম নেয়। একদল বাংলাদেশি টেক ও গেমিং বিশেষজ্ঞ মিলে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিলেন, যেটা দেশের মাটির মানুষের কথা মাথায় রেখে বানানো — বিকাশে পেমেন্ট, বাংলায় ইন্টারফেস, আর স্থানীয় খেলাধুলার প্রাধান্য দিয়ে।
আজ go 99 বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে শুরু করে বরিশাল, রংপুর — সারা দেশে আমাদের সদস্যরা ছড়িয়ে আছেন। তারা আমাদের সাফল্যের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
go 99 বিশ্বাস করে যে প্রতিটি বেটর সম্মান পাওয়ার যোগ্য। তাই আমাদের নীতি সবসময় স্বচ্ছ — লুকানো চার্জ নেই, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নেই। যা বলা হয়, তাই করা হয়।
আমরা চাই প্রতিটি সদস্য যখন go 99 তে আসেন, তখন যেন মনে হয় — এটা আমার জন্যই বানানো। সেই অনুভূতি দেওয়াটাই আমাদের প্রতিদিনের কাজ।
আমাদের ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য যা go 99 কে বাংলাদেশে আলাদা করে
go 99 তে জিতলে বিকাশ, নগদ বা রকেটে মাত্র ৫–১৫ মিনিটের মধ্যে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কোনো অযুহাত নেই, কোনো অপেক্ষা নেই। উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট করলে আমাদের সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রসেস করে — দিনরাত যেকোনো সময়।
go 99 এর পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায়। মেনু, নোটিফিকেশন, সাপোর্ট চ্যাট, সব কিছু। নতুন ব্যবহারকারী যারা আগে কখনও অনলাইন বেটিং করেননি, তারাও প্রথম দিন থেকেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। ভাষার বাধা নেই, বিভ্রান্তি নেই।
go 99 তে আপনার প্রতিটি লেনদেন ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। ব্যক্তিগত তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে কখনও দেওয়া হয় না। দুই-স্তরীয় অথেনটিকেশন ও ডিভাইস ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়।
go 99 তে ক্রিকেটের প্রতিটি বলের পরে, ফুটবলের প্রতিটি মিনিটে অডস আপডেট হয়। লাইভ ম্যাচে বেট দেওয়ার সুযোগ সবসময় থাকে। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সঠিক সময়ে সঠিক বেট দিন — এই সুবিধা বাংলাদেশে বিরল।
go 99 এর কাস্টমার সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে, দিনরাত ২৪ ঘণ্টা। লাইভ চ্যাট, মেসেজ বা ইমেইলে যোগাযোগ করলে গড়ে ৩ মিনিটের মধ্যে সাড়া পাওয়া যায়। কোনো রোবটিক উত্তর নয় — আসল মানুষ, আসল সমাধান।
go 99 এর ভিআইপি সদস্যরা প্রতিটি বেটে পয়েন্ট অর্জন করেন। সেই পয়েন্ট দিয়ে বোনাস, ফ্রি বেট ও বিশেষ পুরস্কার পাওয়া যায়। যত বেশি খেলবেন, সুবিধা তত বাড়বে। ভিআইপি প্রোগ্রামটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ — কোনো লুকানো শর্ত নেই।
মাত্র কয়েক বছরে go 99 একটি ছোট স্টার্টআপ থেকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এই যাত্রাটা সহজ ছিল না, কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপ আমাদের আরও শক্তিশালী করেছে।
আজ go 99 বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মানুষ ব্যবহার করেন। আমাদের মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯২% — যা প্রমাণ করে আমরা সত্যিকার অর্থেই মোবাইল-ফার্স্ট প্ল্যাটফর্ম।
go 99 এর প্রতিষ্ঠা হয় ঢাকায়, মাত্র কয়েকজন আবেগী উদ্যোক্তার হাত ধরে। লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য সত্যিকারের বিশ্বস্ত বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে বাংলা ভাষায় সব কাজ করা যাবে।
go 99 প্রথম বাংলাদেশি বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিকাশ ও নগদের সাথে সরাসরি পেমেন্ট সংযোগ স্থাপন করে। এই পদক্ষেপটি লক্ষো মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারকারীর কাছে go 99 কে পৌঁছে দেয়।
বল-বাই-বল ক্রিকেট লাইভ বেটিং ফিচার চালু হয়। go 99 এর সার্ভার ইনফ্রাস্ট্রাকচার আপগ্রেড করে মিলিসেকেন্ডে অডস আপডেটের ব্যবস্থা করা হয়। এই বছরেই সদস্য সংখ্যা প্রথমবার ১ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
নিয়মিত সদস্যদের জন্য go 99 ভিআইপি লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু হয়। একই সাথে কাবাডি, ব্যাডমিন্টন ও ই-স্পোর্টস বেটিং ক্যাটাগরি যুক্ত হয়, যা তরুণ প্রজন্মের কাছে go 99 কে আরও জনপ্রিয় করে।
go 99 এর সদস্য সংখ্যা ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। মোবাইল অ্যাপ পিডব্লিউএ আপডেট, দ্রুততর পেমেন্ট ইঞ্জিন এবং নতুন বিশ্লেষণ সেকশন চালু হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট সিজনে রেকর্ড সংখ্যক বেট প্রসেস করা হয়।
go 99 এখন ৫ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্যের পরিবার। লটারি, রিওয়ার্ড ও পুরস্কার সেকশন চালু হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে ১০ লক্ষ সক্রিয় সদস্যের মাইলফলক স্পর্শ করা।
go 99 এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে এই চারটি নীতি কাজ করে
go 99 এর সাথে প্রতিটি লেনদেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। আমরা কখনও সদস্যদের ঠকাই না। বিশ্বাস একবার ভাঙলে ফেরানো কঠিন — তাই আমরা এটাকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিই।
go 99 তে প্রতিটি অডস বাজার অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ম্যাচ ফিক্সিং বা অডস ম্যানিপুলেশনের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর নীতি রয়েছে। সবাই সমান সুযোগ পান।
সদস্যদের তথ্য ও অর্থের সুরক্ষা go 99 এর প্রথম অগ্রাধিকার। সর্বশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা নিশ্চিত করি যে কোনো তৃতীয় পক্ষ আপনার তথ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।
go 99 বিশ্বাস করে দায়িত্বশীল বেটিং। আমরা সদস্যদের বাজেট নিয়ন্ত্রণের টুল দিই, সেলফ-এক্সক্লুশন অপশন রাখি এবং সমস্যাজনক জুয়া প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখি।
আমাদের দলের মূল সদস্যরা — অভিজ্ঞ, নিবেদিত এবং বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
১২ বছরের ফিনটেক ও গেমিং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন রাফিউল go 99 এর দৃষ্টিভঙ্গি ও কৌশলের মূল রূপকার। তিনি বিশ্বাস করেন প্রযুক্তি মানুষের জীবন সহজ করতে পারে।
তানজিলা go 99 এর পুরো টেক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে আছেন। বুয়েট থেকে পড়াশোনা করা এই ইঞ্জিনিয়ার দলকে সবসময় এগিয়ে নিয়ে যান।
go 99 এর ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা ও ডিজাইন সিয়ামের তত্ত্বাবধানে। তিনি নিশ্চিত করেন যে প্রতিটি ফিচার বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ ও স্বাভাবিক অনুভব করায়।
go 99 এর বাংলা সাপোর্ট টিম নাফিসার নেতৃত্বে চলে। তার দল ৩ মিনিটের গড় রেসপন্স টাইম বজায় রাখে এবং সদস্যদের সমস্যা দ্রুত সমাধান করে।
বাংলাদেশে অনেক অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম আছে। তাহলে go 99 কেন? কারণ আমরা শুধু কথায় নয়, কাজেও প্রমাণ করি। আমাদের সদস্যরা জানেন যে go 99 তে টাকা জিতলে সেটা সত্যিই পাওয়া যায়। অডস নিয়ে ধোঁকাবাজি নেই, একাউন্ট হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া নেই।
go 99 তে রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে প্রথম বেট দেওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি মাত্র ১০ মিনিটে শেষ করা যায়। ন্যূনতম ডিপোজিট মাত্র ৳২০০ — যা বাংলাদেশের যেকোনো বয়সের মানুষের নাগালের মধ্যে।
আর go 99 শুধু বেটিং নয় — এখানে লটারি, পুরস্কার জেতার সুযোগ, ভিআইপি বোনাস এবং বিশেষজ্ঞদের বেটিং টিপস পাওয়া যায়। এটা একটা সম্পূর্ণ গেমিং অভিজ্ঞতা।
৫ লক্ষেরও বেশি বাংলাদেশি সদস্যের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে আপনাকে স্বাগত